Breaking News

ত্রান শিবির সংযোগকারী কাঠের সেতু বেহাল

Post Views: website counter

 

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দেশপ্রাণ ব্লকের আঁউরাই অঞ্চলের উমাপতিবাড় ও শুনিয়া ইয়াস দুর্যোগ ও রসুলপুর নদীর জলোচ্ছ্বাসে বিধ্বস্ত দুটি গ্রামের সংযোগকারী কাঠের সেতু জরাজীর্ণ অবস্থায় পারাপারের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে।

বানভাসী মানুষজন এখনও উমাপতিবাড় শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও শুনিয়া মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রে ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন।অভিযোগ ত্রাণ শিবিরের মানুষজনকে নিয়ে পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের গা-ছাড়া ভাব । এখনও পর্যাপ্ত সরকারী ত্রাণসামগ্রী অমিল বলে অভিযোগ বানভাসি মানুষজনের । উমাপতিবাড়ে কোন প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই ।উমাপতিবাড় শিক্ষা কেন্দ্রই প্রাথমিক স্তরের ছাত্রছাত্রীদের পঠনপাঠনের ভরসাস্থল।

গত দু’বছর ধরে সহায়ক/সহায়িকার অভাবে উমাপতিবাড় শিশু শিক্ষা কেন্দ্র অচল হয়ে পড়েছে । ফলশ্রুতিতে মিড-ডে মিল প্রকল্পের সুযোগ থেকে দুই শতাধিক প্রাথমিক স্তরের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চিত রয়েছে। শুনিয়া- উমাপতিবাড় সংযোগকারী কাঠের সেতু ভগ্নপ্রায় । উমাপতিবাড় স্লুইস গেট অচল হয়ে রয়েছে। রসুলপুর নদীর বাঁধ ভাঙাচোরা থাকায় জোয়ারের জল অবাধে ঢুকে প্লাবিত করছে।প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন ত্রাণ শিবির পরিদর্শন কালে জনসাধারণের অভিযোগের মুখোমুখি হন।

প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন উমাপতিবাড় শিশু শিক্ষা কেন্দ্র সচল করা,মিড-ডে -মিল প্রদান করা, সেতু মেরামতী, স্লুইসগেট মেরামতি, নদী বাঁধ সংস্কার ও পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দের আবেদন জানিয়ে জেলাশাসক কে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়েছেন । এলাকার প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য মামুদ হোসেন এই সব অবহেলিত এলাকার উন্নয়ন সুনিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারের দুই মন্ত্রী ডঃ সৌমেন মহাপাত্র ও অখিল গিরি র হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *