Breaking News

তাজপুরে দাঁড়িয়ে নাম না করে অধিকারীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তের হুঁশিয়ারি অভিষেকের

Post Views: website counter

 

 

সমুদ্র তীরবর্তী এলাকার মানুষদের সুখ-দুঃখ ভালো করে বুঝতে পারবেন এই এলাকার মানুষই।তাই আপনার এলাকার মানুষকেই সেচ দফতরে বসিয়ে ছিলেন।দ্বায়িত্ব পেয়ে তাঁরা নিজেদের আখের গোছালো তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে না । তাজপুরের বুকে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী-শিশির অধিকারীকে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

ইয়াস পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে  বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা যুব তৃণমূলের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর ১টা নাগাদ অভিষেক হেলিকপ্টারে নামেন দিঘায়। সেখান থেকে তাজপুরে যান।সেখানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন রামনগরের বিধায়ক তথা রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী অখিল গিরি।যুব তৃনমূল নেতা সুপ্রকাশ গিরি সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ধাক্কায় বাঁধগুলো ভেঙে গিয়েছে।
রাস্তা গুলোও প্রায় নেই বললেই চলে। সৈকত শহর তাজপুরের সেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাতে দাঁড়িয়েই নাম না করে রাজ্যের দুই প্রাক্তন সেচ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়দের হুঁশিয়ারি দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করে তিনি বললেন, ‘‘মানুষের মুখের গ্রাস কেড়ে যাঁরা নিজের সম্পত্তি বৃদ্ধি করেছে, তাঁদের এক জনকেও রেয়াত করা হবে না। তদন্ত হবে। আমার তো মনে হয়, কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরোবে।”

সৈকত বরাবর শঙ্করপুর-তাজপুর রাস্তা ঝড়ের পর কার্যত বালি-কাঁকরের কাঁচা পথে পরিণত হয়েছে। এই পথে যেতে যেতেই দু’-এক জায়গায় দাঁড়ান অভিষেক। ডেকে নেন স্থানীয় প্রশাসনের আধিকারিককে। জানতে চান ‘‘এই বাঁধের দায়িত্বে কোন দফতর? রাস্তাই বা কাদের আওতায়?’’ প্রশাসনিক অধিকারিক উত্তর দেন, ‘‘বাঁধ সেচ দফতরের। আর রাস্তা দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের।’’ মাথা নেড়ে তিনি এগিয়ে যান বিরক্ত অভিষেক।

সেচ দফতরের মত দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের কাজ নিয়েও যে তদন্ত হবে,এ যেন তারই ইঙ্গিত! তখন দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তদন্তের মুখে পড়তে পারেন পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারীও। ২০১৩-২০২০ এই দীর্ঘ সাত বছর পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী।

অভিষেক বলেন, ‘‘যাঁরা এই অংশের উন্নয়নের দায়িত্বে ছিলেন তাঁরা মানুষের জীবনের সঙ্গে ছেলেখেলা করেছেন। এর থেকে লজ্জাজনক কিছু হতে পারে না। জেলার এক জনকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেচমন্ত্রী করেছিলেন। যাতে জেলার মানুষের কষ্ট তিনি বুঝতে পারেন। কিন্তু তিনি নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করেছেন । নিজের মেরুদণ্ড বিক্রি করে তিনি অন্য দলে যোগ দিয়েছেন। মানুষের অর্থ সরিয়ে নিজের সম্পদ বাড়িয়েছেন। আমি বাক্‌রুদ্ধ।’’

ঘুর্ণিঝড় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের ভীড়ের মধ্যে দাঁড়িয়েই সংবাদ মাধ্যমের কাছে অধিকারীদের নাম না নিয়ে অভিযোগ করেছেন “একটা পরিবারকে বাঁচাতে গোটা জেলার সর্বনাশ করা হল। আমি কথা দিচ্ছি, কেউ রেহাই পাবে না। চুরি ধরা পড়বেই।’’
এর ফের নাম না করে শুভেন্দুকে তীব্র আক্রমন করে অভিষেক বলেন ‘‘আমি না হয় নাবালক। কিন্তু ওঁকে বলুন ওর সাবালকত্বের প্রমাণ দিতে। সাবালক তো এসে দেখতে পারলেন না, সেই নাবালককেই আসতে হল। আমাকে আবারও ডাকলে আসব। ১০ দিন পরেই নাবালক ফের আসবে।’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *