Breaking News

ইয়াস ও পূর্ণিমার জোড়া ফলায় ৫১টি বাঁধ ভেঙ্গে জলের তলায় !

Post Views: website counter

 

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার জোড়া ফলায় বুধবার সকালে সৈকত শহরের স্থলভাগও সমুদ্রের আকার নেয়। দিঘার মেন বাস রাস্তা একেবারে জলের তলায় তলিয়ে যায়। দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতাল একেবারে জলের নিচে।কোনোক্রমে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় রোগীদের।

পাশাপাশি দিঘার মূল রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি গুলি একেবারে উপর পর্যন্ত জলে জলমগ্ন হয়ে যায়। দিঘার পাশাপাশি তাজপুর, মন্দারমণি, শঙ্করপুরে গ্রামের পর গ্রাম জল থৈ থৈ করতে শুরু করে বুধবার সকাল থেকে। পরিস্থিতি মোকাবিলা আনতে নৌকা নিয়ে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্য ও সেনাবাহিনীর জওয়ানরা সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে বেরিয়ে পড়েন। একাধিক মানুষ সাঁতরে স্থলভাগে আসতে শুরু করেন।

যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে কন্ট্রোল রুম থেকে সমস্ত বিষয় পরিচালনা করেন জেলার জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মাঝি।

অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার আরো বিভিন্ন অংশও প্রকৃতির রুদ্ররূপের শিকার হলো। খেজুরি, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, হলদিয়া, মহিষাদল, তমলুকের প্রায় ৫১টি বাঁধ ভেঙ্গে একেবারে জলের তলায় তলিয়ে যায়। সর্বোচ্চ হারা সাধারণ মানুষ কার্যত নেই নেই হাহাকার তুলতে শুরু করেন। বাঁধ মেরামত যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে হাত লাগান গ্রামের মানুষজনেরাই।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় সেনাবাহিনী ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা প্রায় চার লক্ষের বেশি মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে এসেছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক পূর্ণেন্দু কুমার মাঝি বলেন, “আমরা প্রাণহানি ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। কাঁচা ও ভগ্নপ্রায় বাড়ির বাসিন্দাদের আশ্রয় শিবিরে নিয়ে আসার জন্য সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলাম। ইতিমধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত সাধারণ মানুষের জন্য শুকনো খাবার মজুদ করা হয়েছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *