Breaking News

অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে পাশে দাঁড়াচ্ছে ১০ জন যুবকঃবিপদের বন্ধুদের পেয়ে নিশ্চিন্ত মহিষাদল

Post Views: website counter

 

মহিষাদলের ১০ জন যুবক এখন এলাকার বাসিন্দাদের কাছে “সাক্ষাৎ ভগবান”।কারন বিপদের দিনে একটা ফোন পেলেই,দিন হোক বা রাত্রি এরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে বাড়ির দরজায় হাজির। এদের “বন্ধুত্বে” অনেকটাই নিশ্চিন্ত এলাকার বাসিন্দারা।তাই শুধু মহিষাদল নয়,রাজ্যের সব প্রান্তেই এই সংকট কাল পাড়ায় পাড়ায় এমন করে “বিপদের বন্ধু”রা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিক সেই আবেদন সাধারন মানুষের।

দেশ জুড়ে মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ।সেই প্রবাহ থেকে বাদ যায়নি বাংলা কিংবা পূর্ব মেদিনীপুর জেলাও।প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা।হাসপাতাল গুলিতেও বেডের অভাব দেখা দিতে শুরু করেছে।স্বাভাবিক কারনেই হোম আইসোলেশনের উপর জোর দিয়ে চলছে চিকিৎস্যা।আর এক্ষেত্রে সরকারী-বেসরকারী হাসপাতালের পাশাপাশি বাড়িতে রোগীকে রেখে চিকিৎস্যা করাতে গিয়েও সমস্যা হচ্ছে অক্সিজেন সরবরাহে।এই পরিস্থিতিতে এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এলো ১০ জন যুবক।

এদের মধ্যে কেউ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী, কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া। আবার কারোর পেশা গৃহশিক্ষকতা। কারোর আবার পাড়ার মোড়ে প্রসাধন সামগ্রীর ছোট্ট দোকান। এতদিন পাড়ার লোকেরা এদের একভাবে চিনলেও এখন চিনছে অন্য ভাবে। পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের এই ১০ জনের পরিচয় এখন ” বিপদের বন্ধু” । মানুষের পাশে দাঁড়াতে ১০ জনে মিলে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গড়ে বাড়ি বাড়ি অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিচ্ছেন এরা। শুধু একটা ফোন কল। তারপরই কখনও সাইকেলে, কখনও মোটরবাইকে রোগীর বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে অক্সিজেন।

যুবকদের উদ্যোগের প্রশংসার পাশাপাশি এদেত পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী।  তিনি বললেন, খুব প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা এদের পাশে রয়েছি। সহযোগিতা করব।

এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্য গৌরাঙ্গ বেজ বলেন, এবার করোনা সংক্রমণ বড় ভয়ানক চেহারা নিয়েছে। রোগীর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ায় এর সাথে তাল মিলিয়ে অক্সিজেনের চাহিদা বেড়ে চলেছে।আবার সকলের পক্ষে অক্সিজেন সিলিন্ডার যোগাড় করা সম্ভব হচ্ছেনা।তাই যার দরকার ফোন পেলে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছি। কারোর দোকান বা বাড়ি থেকে অতিরিক্ত সিলিন্ডারও সংগ্রহ করছি। দিন দিন অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ছে। জোগান কম থাকায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এমনই একজন শম্ভুনাথ দাস। তিনি বললেন, ভাবতেও পারিনি এমন সহযোগিতা পাব। বলার সঙ্গে সঙ্গে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করেছে ওরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *