Breaking News

তালাবিহীন বাক্স থেকে উদ্ধার নন্দীগ্রামের ইভিএম 

Post Views: website counter

 

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়ার গণনাকেন্দ্র থেকে বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের স্থায়ী স্ট্রংরুমে এই মহকুমার স্থানান্তরের সময় নন্দীগ্রামের ইভিএম ভর্তি একটি ট্রাঙ্ক তালাবিহীন অবস্থায় পাওয়া যায়। তাতে ছ’টি ইভিএম ছিল। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায়।

উল্লেখ্য গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে গত ২ মে রাত থেকে হলদিয়ার দুর্গাচকে ক্ষুদিরাম স্কোয়ার মোড়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ চালাচ্ছিল তৃণমূল।এখানে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি হলদিয়া ও মহিষাদল বিধানসভার ইভিএম মেসিন ও ভিভি প্যাড মেসিন ছিলো।

তাদের দাবি, নির্বাচন কমিশন যাতে নন্দীগ্রামের ইভিএম বোঝাই কন্টেনার সরিয়ে ফেলতে না পারে সেজন্যই চারদিন রাস্তা আটকে রাখা হয়। তালাবিহীন বাক্স উদ্ধারের ঘটনার পরেই তৃনমুলের সেই দাবি প্রমাণ হল মনে করছে রাজনৈতিক মহল ।

সদ্য যোগ দেওয়া পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক পূর্ণেন্দুশেখর মাজি বলেন, মোট ছ’টি ইভিএম বোঝাই একটি বাক্স তালাবিহীন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। কেন তালা ছিল না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূলের আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলতে ঘটনাস্থলে আসেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলাশাসক। তিনি ইভিএমগুলি সুরক্ষিত জায়গায় রাখার আশ্বাস দেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় ও মহকুমাশাসক অবনীত পুনিয়ার উপস্থিতিতে সিল করা কন্টেনার এডিএম অফিসের স্থায়ী স্ট্রংরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। গণনার পর ইভিএমগুলি টিনের ট্রাঙ্কে ভরে সিল করা হয়েছিল। তারপর সেই সব ট্রাঙ্ক গাড়িতে ভরে ফের সিল করে স্কুল চত্বরে রাখা হয়েছিল।

এদিন এডিএম অফিসে সেই কন্টেনার থেকে নামানোর সময় প্রথমে ৩৩নম্বর টিনের বাক্সটি তালা ও সিলবিহীন অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত যুব তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি শেখ আজগর বলেন, নন্দীগ্রামের ইভিএম ভর্তি একটি বাক্সে তালা ছিল না। সেই বাক্সে গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১০টি বুথের ইভিএম ছিল। ইভিএমগুলি সিল অবস্থায় ছিল। কিন্তু তাতে কেবল বিজেপির কাউন্টিং এজেন্টের সই রয়েছে, তৃণমূলের এজেন্টের সই নেই। তিনি বলেন, গোকুলনগরের বুথগুলিতে ভোট গণনার আগে পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আট হাজার ভোটে এগিয়েছিলেন।

এসডিও বলেন, গণনার পর ৪৫দিন পর্যন্ত ইভিএমগুলি স্ট্রংরুমে সংরক্ষণ করা হয়। তালাবিহীন একটি বাক্স নজরে এসেছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে রিটার্নিং অফিসারকে অভিযোগ করা হয়েছে।

বিজেপির তরফে বলা হচ্ছে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের নজরদারিতে ছিলো এই মেসিন গুলি ।এর ভালো মন্দের দায় প্রশাসনের।এর জন্যে বিজেপিকে এর সাথে জড়ানো অনৈতিক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *