Breaking News

চক্রান্ত করে মমতাকে হারানোর অভিযোগে উত্তাল নন্দীগ্রাম-হলদিয়া

Post Views: website counter

 

নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে নির্বাচন কমিশন জয়ী ঘোষনা করার পর থেকেই উত্তেল নন্দীগ্রাম – হলদিয়া। রবিবার সন্ধ্যা থেকেই পুনর্গণনার দাবিতে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে হলদিয়ার গভমেন্ট স্পনসর্ড হাইস্কুলের গণনা কেন্দ্রের আশপাশ।অভিযোগ রবিবার রাতে হলদিয়ার মঞ্জুশ্রী মোড়ে বেশ কয়েকটি মোটর বাইকে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।

পাশাপাশি একাধিক বিজেপি কর্মী সমর্থকদের দোকান ভাঙচুর করা হয়। একই ঘটনা নন্দীগ্রামেও
ঘটেছে বলে বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে ।

রবিবার কলকাতার কালীঘাট থেকে নন্দীগ্রামের গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য এদিন বিকেলে প্রথমে খবর ছড়িয়ে পড়ে নন্দীগ্রাম থেকে জয়লাভ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এর ঘন্টা দেড়েকের মধ্যেই গণনা কেন্দ্র থেকে শুভেন্দুর জয়ের খবর জানানো হয়। এই ঘটনার পরেই কার্যত ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা।

মমতার অনুগামীরা হলদিয়ার গণনা কেন্দ্র চত্বরে পুনর্গণনার দাবিতে রবিবার রাতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। ওই দিন রাতেই হলদিয়ার মঞ্জুশ্রী মোড় এলাকায় রাস্তার উপর বেশ কয়েকটি ডাম্পার দাঁড় করিয়ে দিয়ে রাস্তার উপর বসে পড়ে অবরোধ-বিক্ষোভ শুরু করেন। পাশের হোটেলে থাকা বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর মোটরবাইকে ও আগুন ধরিয়ে দেয় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বলে অভিযোগ। পাশাপাশি বেধড়ক মারধর করা হয় হলদিয়া এলাকার বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে। এমন সময় শুভেন্দু অধিকারি সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য হলদিয়ার মহকুমা শাসকের দপ্তরে আসেন। তখন

কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নয় হলদিয়া মহকুমা শাসকের দপ্তর চত্বরে। শুভেন্দুকে দেখতে পেয়ে কার্যত বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তৃণমূলের কর্মীরা এবং গণনায় কারচুপি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন তারা। ঘটনায় ক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা শুভেন্দুর গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। এলাকা মুহূর্তের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় শুভেন্দুর নিরাপত্তারক্ষীরা ওই এলাকায় ছেড়ে শুভেন্দুকে বের করে নিয়ে যান। এরপর মঞ্জুশ্রী মোড়ে সারারাত ধরে অবরোধ-বিক্ষোভ চলে। সোমবার সকালেও দিনভর অবরোধ বিক্ষোভে শামিল হন তারা। অন্যদিকে নন্দীগ্রামে রবিবার রাতে আট থেকে দশজন বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। মারধরও করা হয় একের পর এক বিজেপি কর্মীদের।

অন্যদিকে নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা তথা তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভা পতি প্রলয় পাল বলেন, “এতোগুলো জায়গায় তৃণমূল জিতেছে। আমরা তো সে সমস্ত জায়গায় মানুষের নৈতিক জয় স্বীকার করে নিয়েছি। সেক্ষেত্রে আমরা তো কোনো সমস্যা করছি না। পরাজয়টা কেন এড়াচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী? কিন্তু এটাই তো বাস্তব। নির্বাচন কমিশন শুভেন্দুবাবুকে সার্টিফিকেট দিয়েছেন। যেতেও পুনর্গণনার দাবি জানাতে পারেন কিন্তু নন্দীগ্রামের শুভেন্দু বাবু জয়ী হবেনই।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *