Breaking News

সৎকারের তিন দিন পরে বাড়ি ফিরলেন করোনা আক্রান্ত রোগী !

Post Views: website counter

 

সদ্য পিতৃহারা শোকে মুহ্যমান ছেলে মৃতদেহ সৎকারের তিন দিনের মধ্যেই ফিরে পেলো বাবাকে! আজগুবি মনে হলেও এটাই বাস্তব।তাই এমন ঘটনাকে নিয়ে চর্চার শেষ নেই ।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর থানার পঁচেট গ্রামের বাসিন্দা মনোজ মাইতি। মনোজ বাবুর বয়স ৫৩ বছর। হায়াদ্রাবাদ থেকে বাড়ি ফেরার পরেই জ্বরে পড়েন । সোয়াব টেস্ট করলে রিপোর্ট পজেটিভ আসে ।মারন ভাইরাস করোনা আক্রান্ত হওয়ায় তিনি গত ১৮ তারিখে চন্ডীপুরের করোনা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসাও চলছিলো ঠিকঠাক।

হঠাৎ করে গত ২৯ তারিখ সকালে হাসপাতাল থেকে ফোন করা হয় মনোজ বাবুর ছেলে সুরজিত মাইতির কাছে।ফোনে বলা হয় আপনার বাবার মৃত্যু হয়েছে,মৃতদেহ নিয়ে যান । এই খবর শুনে মনোজ মাইতির ছেলে ও তাঁর পরিবারের লোকজন ছুটে যায় চন্ডীপুর করোনা হাসপাতালে। ছেলে সুরজিত পৌঁছাতেই হাসপাতালে তরফ থেকে ডেথ সার্টিফিকেট ধরিয়ে দেওয়া হয়, হিন্দু শাস্ত্র মতে মনোজ বাবুর পরিবারের লোকেরা মৃতাসুচের নিয়ম পালন করতে শুরু করেন।

এরপর শনিবার সকালে চমক ঘটে! চন্ডিপুর করোনা হাসপাতাল থেকে মনোজ মাইতির ছেলে সুরজিত এর কাছে ফোন আসে । সুরজিতের দাবি ফোনে বলা হয় আপনার বাবা মানে মনোজ মাইতি এখন পুরোপুরি করোনা মুক্ত ও জীবিত আছেন।বাবাকে বাড়ি নিয়ে যান ! ধন্দে পড়ে যায় পরিবার। সুরজিত সহ তাদের পরিবারের আরো কয়েক জন সদস্য ঘটনার সত্যাসত্য জানতে ছুটে যায় চন্ডীপুর করোনা হাসপাতালে ।

সেখানে পৌঁছে তারা দেখে মনোজ বাবু দিব্বি চেয়ারে বসে কথা বলছেন। যেই করোনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুই দিন আগে মনোজ মাইতির ডেথ সার্টিফিকেট ধরিয়েছিলো, তারাই এবার মনোজ বাবুর করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট ধরাচ্ছে ! ঘটনাটা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় সারা জেলা জুড়ে ।

এই নিয়ে মনোজ মাইতির পরিবারের লোকেদের মধ্যেও নানান প্রশ্ন তৈরী হয় । তবে বাবাকে ফিরে পাওয়ার আনন্দে সুরজিত বাবু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কোনো কিছু না বলে মনোজ বাবুকে বাড়ি নিয়ে আসেন।

এই বিষয়ে চন্ডীপুর করোনা হাসপাতালের কেউ মুখ খোলেন নি ।তবে খোঁজ নিয়ে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে নাম বিভ্রাট এর কারনে এই বিপত্তি!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *