Breaking News

করোনা সংক্রমন বাড়ছেঃ পূর্ব মেদিনীপুরে গ্রামীন স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা ধুঁকছে

Post Views: website counter

 

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় কোভিড সংক্রমণ বেলাগাম হয়ে পড়েছে। গড়ে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৪ শতাধিক। নতুন কোভিড হাসপাতালের পরিকাঠামো গড়ে তুলতে ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা। বেড পাওয়া গেলে নার্স-ডাক্তার পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ছে।

অক্সিজেন সিলিন্ডারের অভাবে কোভিড রোগীর প্রানান্ত অবস্থা। কোভিড আক্রান্ত রোগীদের চাপে সাধারণ রোগীদের দুরবস্থার শেষ নেই। প্রাইভেট ডাক্তার দের চেম্বার প্রায় বন্ধ হতে বসেছে। সাধারণ রোগী দের ভরসা বলতে ব্লক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র সমূহ। গ্রামে গ্রামে গর্ভবতী মায়েদের ও সাধারণ রোগীদের ভরসাস্হল হয়ে উঠেছে উপস্বাহ্য কেন্দ্রগুলি।প্রয়োজনীয় ডাক্তার-নার্স- স্বাস্থ্য কর্মীর অভাবে গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্হাও ধুঁকছে।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় উপস্বাস্হ্য কেন্দ্র বা সাব সেন্টারের সংখ্যা ৪৩২ টি।তার মধ্যে ৫৩ টি উপস্বাস্হ্য কেন্দ্রের নিজস্ব বাড়ীই নেই।জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশনের উদ্যোগে জেলার ৪৩২ টি উপস্বাস্হ্য কেন্দ্র কে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা অনুমোদিত হয়।তবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মাত্র ১২৪ টি উপস্বাস্হ্য কেন্দ্র কে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসাবে উন্নীত করা সম্ভবপর হয়েছে।

নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলায় মাত্র ১৩ টি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভবপর হয়েছে। জেলার বাকী অংশে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সংখ্যা অবশিষ্ট ১১১ টি। প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন বলেন সাব সেন্টার সমূহ কে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসাবে উন্নীত করার কাজে জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসনের কোন হেলদোল অাছে বলে মনে হয় না।

জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার অভাব থেকেই স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসনের উদাসীনতাই মূল কারণ বলে অভিমত প্রকাশ করেন মামুদ হোসেন।

জেলা শাসক ও নন্দীগ্রাম এবং পূর্ব মেদিনীপুর স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়ে অবিলম্বে কোভিড বেড সংখ্যা বৃদ্ধি ও উপস্বাস্হ্য কেন্দ্র সমূহকে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসাবে উন্নীত করার কাজ ত্বরান্বিত করার আবেদন জানিয়েছেন। প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন জানান স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর বিস্তার ও উন্নীত করন না হলে জেলা বাসীর দুর্ভোগের অন্ত থাকবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *