Breaking News

বীমা না হওয়ায় ক্ষতিপুরন পেতে সমস্যায় পড়তে পারে,আশংকা মামুদের

Post Views: website counter

 

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বাংলা শস্য বীমার আওতায় ২০২০-২১ সালে রবি ও বরো মরশুমে প্রযুক্তি নির্ভর ফসল বীমা রূপায়ণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এগ্রিকালচারাল ইন্সুইরেন্স কোম্পানি লিমিটেডকে।এই প্রকল্পের আওতায় ফসলের ক্ষতির মূল্যায়ন ,উপগ্রহ চিত্র এবং আবহাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সমস্ত ধরনের কৃষক দ্বারা বর্তমান মরশুমে বিজ্ঞাপিত অঞ্চলে বিজ্ঞাপিত ফসল চাষ বীমার ওতায় আসার কথা।বরো ধানের জন্য বীমা করার সময়সীমা ছিল চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারী।

আলু চাষের জন্য বীমা করার সময়সীমা ছিল গত বছর ৩১ ডিসেম্বর।সমস্ত গ্রামপঞ্চায়েত স্তরে
বীমা কোম্পানির প্রতিনিধি মারফত ফসল বীমার নিবন্ধন করার প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। প্রচারের অভাবে সকল চাষীরা এই বীমার আওতায় আসার সুযোগ ঘটেনি।ফলে বরো মরশুমে অনেক ধান চাষীরা জলের অভাবে ও কালবৈশাখীর ঝড়ে ফসল ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ পেতে সক্ষম হচ্ছেন না।তাছাড়া খরা মরশুমে তরমুজ,সব্জী সহ বিভিন্ন ফলমূল চাষ উদ্যান পালন বিভাগের আওতায় থাকায় ফসল বীমার আয়তায় নেই।

পাশাপাশি ফুলের চাষ ও চারা ( নার্সারি) উৎপাদন উদ্যান উদ্যান পালন বিভাগের অধীনে থাকায় ফসল বীমা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এবছর প্রবল দাবদাহে তরমুজ, সব্জী,ফলমূল, ফুল ও চারা তৈরি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার মুখে। অথচ বিজ্ঞাপিত ফসল তালিকায় এসব অন্তর্ভুক্ত না থাকায় চাষীরা বিপন্ন বোধ করছেন।

কোভিড পরিস্থিতিতে উদ্যান পালন বিভাগের অধীনে থাকা তরমুজ, কুমড়া,শাকসবজী, ফলমূল, ফুল ও নার্সারি চাষকে ফসল বীমার অাওতাভূক্ত করার দাবী জানিয়ে জেলার উপ উদ্যান পালন অধিকর্তা কে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়েছেন প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন।

সেই সাথে জেলার মুখ্য কৃষি অধিকর্তা কে বরো চাষের ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণের জন্য বীমা কোম্পানির সক্রিয় তার লক্ষ্যে দাবী জানিয়েছেন মামুদ হোসেন। সমস্ত রকমের ফসলের আশু ক্ষতিপূরণ প্রদান জরুরী বলে অভিমত প্রকাশ করেন প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *