Breaking News

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সৌমিতা সাহার নারী কথা

Post Views: website counter

 

লিঙ্গ সাম্যতা সম্পর্কে সমাজকে সচেতন করতেই এই দিনের সূচনা। সমাজের সব স্তরে নারীর সাফল্য ও জয়গান গাওয়ার দিন নারী দিবস। ২০২১ সালের এই দিন উজ্জাপন করার থিম ” নেতৃত্বের দৌড়ে নারী “।
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্না চিত্রকর সৌমিতা সাহা নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজন করতে চলেছেন তার দ্বিতীয় প্রর্দশনী “নারীকথা” ।
সৌমিতার ছবিতে নারীর জীবনের বিভিন্ন উত্থান পতনের দৃশ্য ঠাঁই পেয়েছে।সৌমিতা তলিপাড়ার প্লেব্যাক গায়িকা হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ইডিএম সঙ্গীতের একজন উজ্জ্বল তারকা। চারুকলা জগতের সৃজনশীল মানুষের কাছে সৌমিতা বরাবর জনপ্রিয় হলেও সম্প্রতি সৌমিতার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে দেশ বিদেশে।
২০২০ সালের শেষের দিকে সৌমি তার আঁকা ছবি পাড়ি দেয় পোর্ট ল্যান্ডের আর্ট মিউজিয়াম অন্তর্ভুক্ত আর্টরীচ গ্যালারিতে। ওখানকার প্রর্দশনীতে স্থান পাওয়ার পাশাপাশি ভারতে বড় শহরগুলোর নামী প্রর্দশনী গৃহে প্রর্দশিত হয়েছে সৌমিতার আঁকা ছবি।
নারীকথার আগে সৌমিতার প্রথম একক প্রর্দশনী ইম্যাজিনিং নেভারল্যান্ড অত্যন্ত সফল হয়। নারীকথার সাফল্য সম্পর্কে শিল্পী আশাবাদী।
***************************************
এই দিবসটি উদযাপনের পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস। ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে মজুরিবৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা। সেই মিছিলে চলে সরকার লেঠেল বাহিনীর দমন-পীড়ন। ১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হলো। ক্লারা ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ; জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির স্থপতিদের একজন। এরপর ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ জন নারী প্রতিনিধি এতে যোগ দিয়েছিলেন। এ সম্মেলনে ক্লারা প্রতি বৎসর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। সিদ্ধান্ত হয়ঃ ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ থেকে নারীদের সম-অধিকার দিবস হিসেবে দিনটি পালিত হবে। দিবসটি পালনে এগিয়ে আসে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রীরা। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে লাগল। বাংলাদেশেও ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতার লাভের পূর্ব থেকেই এই দিবসটি পালিত হতে শুরু করে। অতঃপর ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। দিবসটি পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে সারা পৃথিবী জুড়েই পালিত হচ্ছে দিনটি নারীর সমঅধিকার আদায়ের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করার অভীপ্সা নিয়ে। সারা বিশ্বের সকল দেশে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *