Breaking News

আত্মবলিদান দিবসে কালোজিরা দিয়ে প্রতিকৃতি এঁকে মাতঙ্গিনীকে শ্রদ্ধা

Post Views: website counter

 

কালোজিরা দিয়ে প্রতিকৃতি এঁকে শহীদ বীরাঙ্গনা মাতঙ্গিনী হাজরাকে শ্রদ্ধা জানালেন মেদিনীপুর সদর ব্লকের চুয়াডাঙ্গা হাইস্কুলের গণিতের শিক্ষক দিব‍্যেন্দু সাহা। মঙ্গলবার ছিল মাতঙ্গিনী হাজরার ৭৯ তম আত্মবলিদান দিবস।

এই দিন কালোজিরার দিয়ে প্রতিকৃতি এঁকে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান মেদিনীপুর শহরের পালবাড়ির জীপনদীপ কমপ্লেক্স এর বাসিন্দা দিব‍্যেন্দু বাবু। উল্লেখ্য ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় তমলুক থানা অভিযান কালে পুলিশের গুলিতে মাতঙ্গিনী হাজরা আত্মবিসর্জন দেন। তাঁর আঁকা ছবি টি দিব‍্যেন্দু বাবু সোস‍্যাল মিডিয়ায় আপোলোড করেন। সেখানে বহু মানুষ কমেন্ট করে যেমন মাতঙ্গিনীকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তেমনি শিল্পী কে কুর্ণিশ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য দিব‍্যেন্দুবাবু বিভিন্ন​ ব‍্যক্তিত্বের স্মরণে ও ঘটনার সাপেক্ষে কালোজিরা, লতাপাতা, পেরেক, শুকনো লংকা,টগরফুল,শাক-সবজি সহযোগে বিভিন্ন ধরনের চিত্র অঙ্কন করে থাকেন।
…………………………………………………………..

মাতঙ্গিনী হাজরা (১৭ নভেম্বর ১৮৭০–২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪২) ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী এক মহান বিপ্লবী নেত্রী। ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দের ২৯ সেপ্টেম্বর তদনীন্তন মেদিনীপুর জেলার তমলুক থানার সামনে ব্রিটিশ ভারতীয় পুলিশের গুলিতে তিনি শহিদ হয়েছিলেন। তিনি ‘গান্ধীবুড়ি’ নামে পরিচিত ছিলেন।

মাতঙ্গিনী হাজরার প্রাথমিক জীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায়না। শুধু এটুকুই জানা যায় যে, ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে তমলুকের অদূরে আলিনান নামে একটি ছোটো গ্রামে (ডাকঘর: হোগলা) এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে তার জন্ম হয়েছিল। দারিদ্র্যের কারণে বাল্যকালে প্রথাগত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন মাতঙ্গিনী।অতি অল্প বয়সেই তার বিয়ে হয়ে গিয়েছিল। তিনি মাত্র আঠারো বছর বয়সেই নিঃসন্তান অবস্থায় বিধবা হয়েছিলেন।

১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে প্রত্যক্ষভাবে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন মাতঙ্গিনী হাজরা। মতাদর্শগতভাবে তিনি ছিলেন একজন গান্ধীবাদী ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে মাতঙ্গিনী আইন অমান্য আন্দোলনে যোগ দেন। সেই সময়ে তিনি লবণ আইন অমান্য করে গ্রেফতার বরণ করেছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *