Breaking News

নিশিকান্ত মন্ডলের স্মরন সভায় নন্দীগ্রাম আন্দোলনের ইতিহাস মনে করালেন শুভেন্দু

Post Views: website counter

 

কয়েক দিন আগে তমলুকে দেশের প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রনব মুখার্জীর স্মরন সভার মঞ্চ থেকে বুঝিয়ে ছিলেন তিনি বিশ্বাসঘাতক নন । এবার নন্দীগ্রাম থেকে এলাকার প্রয়াত নেতা নিশিকান্ত মন্ডলের স্মরন সভার মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী মনে করালেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের ইতিহাস।
নিজের ভাষনে একবারও কোন দলের নাম না নিয়ে নন্দীগ্রাম জমি রক্ষা আন্দোলনের নেতা তথা রাজ্যের পরিবহন,সেচ ও জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন অতীত যাঁরা ভুলে যান, তাঁদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হতে পারে না। তাঁদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারই হবে, এটাই চিরন্তন সত্য।

মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর বিগত ১০ বছরের মত এবারেও নন্দীগ্রামে নিশিকান্ত মন্ডলের স্মরন সভায় বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত ছিলেন। নন্দীগ্রাম ভূমিরক্ষা আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্ব নিশিকান্ত মণ্ডল দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হন ।

এবার একাদশ বর্ষের স্মরণ সভায় উপস্থিত হয়ে নিশিকান্ত মন্ডলের মূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে শুভেন্দুবাবু মনে করান ২০০৬ সালের ৩ নভেম্বরের কথা। তিনি বলেন, ওইদিন জননেতা নিশিকান্ত মণ্ডল আমাকে নিয়ে এসে এই আন্দোলনের বীজ বপন করেছিলেন সোনাচূড়ায় হাই স্কুল মাঠে। তখন আমি এখানকার বিধায়ক বা সাংসদ ছিলাম না। দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক ছিলাম। তেখালির কাঠের ব্রিজ, যা তখন পাকা ছিল না, মোরাম রাস্তা ধরে এসেছিলাম তাঁর সঙ্গে।বলেন নিশিকান্ত মণ্ডল না থাকলে এই আন্দোলন সফল হতো না।

এর পরেই সাম্প্রতিক কালে বয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমফান প্রসঙ্গে শুভেন্দুবাবু বলেন, আমফানে যা ক্ষতি হয়েছে তার ১০০ শতাংশ পূরণ করা কারও পক্ষে সম্ভব নয়। উল্লেখ্য আমফান পরবর্তী সরকারি ত্রান বিলি নিয়ে নন্দীগ্রামে শাসক দলের একাধিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি, সরকারি প্রতিনিধিরা চেষ্টা করেছেন মানুষের পাশে থাকার। যেখানে যেখানে ফাঁকফোকরের কথা কানে এসেছে,নিজের বিধায়ক কার্যালয় থেকে সরাসরি প্রতিনিধি পাঠিয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আপনাদের আশীর্বাদ, সহযোগিতা পেলে আমরা আগামী দিনে এগিয়ে যাব। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আশাকর্মী, স্বাস্থ্যকর্মী-সহ স্বাস্থ্য দফতরের কাজের প্রশংসা করে শুভেন্দুবাবু বলেন, এখানেও অনেকে আক্রান্ত হয়েছেন। শিক্ষিত, সচেতন এই জেলার মানুষ যখন কেউ বাইরে থেকে সংক্রমণ নিয়ে এসেছেন তাঁদের উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়েছে।

দেশে যেখানে সুস্থতার হার ৮০ শতাংশ, রাজ্যে ৮৬ শতাংশ, সেখানে এই জেলায় ৮৮ শতাংশ। মৃত্যুর হার ১ শতাংশের কম, .৮৩ শতাংশ। তবে যতদিন না ভ্যাকসিন বেরোয় সকলকে সতর্ক থাকতে হবে, বিশেষ করে প্রবীণ মানুষদের যাঁদের বার্ধক্যজনিত বা অন্যান্য অসুখ রয়েছে। এদিন এলাকার সমস্ত গ্রাম সংসদের প্রতিনিধিদের হাতে মাস্ক ও স্যানিটাইজার তুলে দেন শুভেন্দুবাবু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *