Breaking News

লাদাখে টানা তিনবার ভারতীয় জওয়ানেরা পিছনে লাথি মেরে তাড়ালো চিনা সেনাদের

Post Views: website counter

 

ফের ভারতীয় জওয়ানদের হাতে থাপ্পড় খেলো ড্রাগন !

চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয় জওয়ানরা “প্রাচীর” হয়ে দাঁড়ালো আবার।নিজেদের সর্বশক্তিমান ঘোষনা করা কমিউনিস্ট চিনের কাছে এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ।ভারতীয় বীর সেনাদের সামনে দাঁড়াতে পারছেনা লাল ফৌজ।

সারা বিশ্বের কাছে নিজেদের “দাদা” ইমেজ ফিকে হতে শুরু করেছে।তাই নিজেদের আগ্রাসনের অপচেষ্টা ঢাকা দিতে চিনের তরফে অভিযোগের সুরে বলা হয়েছে, ‘ভারতের পদক্ষেপ চিনের সার্বভৌমত্বে আঘাত এনেছে।’আরও বলা হয়েছে যে ভারতীয় বাহিনী দু’দেশের শান্তি পরিস্থিতিকে নষ্ট করেছে। এই বিষয়ে পালটা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে বেজিং।

সেনা সূত্রের খবর, শনিবার রাত এবং রবিবার সকালে দফায় দফায় সংঘর্ষের পরে দু’তরফে আলোচনা শুরু হলেও এখনও উত্তেজনা রয়েছে প্রবল। পিপলস লিবাবেশন আর্মি বিতর্কিত এলাকায় আর্মার্ড রেজিমেন্ট মোতায়েন করায় একই পদক্ষেপ করেছে ভারতীয় সেনাও। বেশ কিছু এলাকায় দু’দেশের ট্যাঙ্ক বাহিনী পরস্পরের নিশানায় রয়েছে।

প্যাংগং পরিস্থিতি পর্যালোচানার জন্য মঙ্গলবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত এবং সেনাপ্রধান এম এম নরভণে বৈঠকে হাজির ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিন সংঘর্ষ হয়। সেখানে শহিদ হয়েছিলেন ২০ ভারতীয় জওয়ান। চিনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সামনে আসেনি।তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার দাবি অনুযায়ী এই সংঘর্ষে চিনের প্রায় ১০০ জন সেনার জীবনহানী হয় ।নিজেদের ব্যার্থতা ঢাকতেই মুখে কুলুপ দেয় চিন ।

এর মাঝেই পূর্ব লাদাখ সীমান্তে চিন ক্রমাগত সামরিক নির্মাণ ও সেনা মোতায়েন করছে বলে বারবার খবর মিলেছে। এমন পরিস্থিতিতে ২৯ ও ৩০ আগস্ট রাতে ভারতের মাটি দখলের চেষ্টা চালায় লালফৌজ। সেই রেশ কাটতে না কাটতে ফের সোমবার চিনা আগ্রাসনের সাক্ষী রইল লাদাখ সীমান্ত।

বারবার জায়গা বদল করে যেভাবে চিন ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা অব্যাহত রাখছে, তা অত্যন্ত চিন্তার বলেই অভিমত ওয়াকিবহাল মহলের। এমনকী দুদেশের মধ্যে সমস্যা নিরসনে চিন কতটা উদ্যোগী, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মহলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *