Breaking News

বিধায়ক করোনা আক্রান্ত:এর জেরে পুরো হুগলী জেলার তৃণমূল নেতৃত্ব হোম কোয়ারেন্টিনে

Post Views: website counter

 

জাঙ্গিপাড়ার বিধায়ক স্নেহাসিস চক্রবর্তীর পরিবারের করোনার উপসর্গ দেখা দিয়েছিলো সপ্তাহ খানেক আগে।করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়।কিন্তু সোয়াব এর পরীক্ষার রিপোর্ট আস্তে দেরি হয়।

জানা গেছে বিধায়ক ও তার পরিবারের সদস্যদের রিপোর্ট করতে দেওয়া হয়েছিলো গত ১৫ তারিখ।আর রিপোর্ট আসে প্রায় এক সপ্তাহ পরে অর্থাৎ গতকাল।স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে সেই রিপোর্টে পরিষ্কার উল্লেখ আছে বাড়ির প্রত্যেকে করোনা পজেটিভ।এই পর্যন্ত তো সব ঠিকই ছিলো।কিন্তু গোল বেঁধেছে গত কালকের তৃনমূলের শহীদ দিবসের অনুষ্ঠান।

প্রসঙ্গত ২১ জুলাইয়ের ভার্চুয়াল সভায় অংশ গ্রহন করেন জাঙ্গীপাড়ার বিধায়ক স্নেহাশিস চক্রবর্তী।কোন্নগর কানাইপুরের বাড়িতে হোম আইশোলেশানে আছেন বিধায়ক।গতকাল চন্ডীতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ভার্চুয়াল সভায় যোগ দেন স্নেহাশিস।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জী,জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব,জেলা যুব সভাপতি শান্তনু ব্যানার্জী,চন্ডীতলার বিধায়ক স্বাতী খন্দকার,জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখার্জী।বিধায়ক আক্রান্তের খবরে প্রত্যেকেই হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন বলে জানা গিয়েছে।কানায়পুর পঞ্চায়েত থেকে তার বাড়ি ও এলাকায় সানিটাইজ করা হবে বলে জানায় পঞ্চায়েত প্রধান।
এর আগে আরো পাঁচ জন তৃনমূল বিধায়ক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

প্রথমে ফালতা তৃণমূল বিধায়ক তমোনাশ ঘোষ করনা আক্রান্ত হন । হাসপাতালেই গত ২৪ জুন
শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ।এরপর দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। কলকাতার এপোলো হাসপাতালে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন বিধাননগরের বিধায়ক।
পানিহাটির বিধায়ক তথা বিধানসভার তৃণমূলের মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

অপরদিকে কুমারগঞ্জের বিধায়ক তোরাফ হোসেন মন্ডল করুণা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন।এর মধ্যেই পুর্ব মেদিনীপুর জেলার বর্ষিয়ান বিধায়ক সমরেশ দাস আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে।তিনি বর্তমানে বেলেঘাটায় চিকিৎস্যাধীন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *