Breaking News

নন্দীগ্রামে প্রচারে ঝাঁপাতে দুটি ব্লকে অফিস খুলছেন মমতা

Post Views: website counter

২০২১ সালের নীলবাড়ি দখলের সবচেয়ে হাই ভোল্টেজ ম্যাচ হতে চলেছে ১ এপ্রিল।স্থান পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম বিধানসভা।

আগামী ২৭ মার্চ থেকে রাজ্যের ২৯৪টা বিধানসভা আসনের জন্যে ৮ দফায় ভোট গ্রহন শুরু হয়ে যাবে।২৭ তারিখ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৭টি আসন সহ পশ্চিম মেদিনীপুরের একাংশ,বাঁকুড়ার একাংশ ,ঝাড়গ্রাম ও পুরুলিয়াতে ভোট গ্রহন হবে ।এর পর ১ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহন হবে নন্দীগ্রাম সহ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বাকী ৯টি বিধানসভা আসনে।সেদিন বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বাকী অংশ ও দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলার একাংশের ভোট গ্রহন হবে ।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে তৃনমূলের হয়ে প্রতিদ্বন্ধিতা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।উল্টো দিকে প্রধান প্রতিপক্ষ হতে চলেছেন বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।সেই সম্ভাবনা যতই প্রবল হচ্ছে তত বেশী করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়চ্ছে নন্দীগ্রামে।
এর মধ্যে নিজের নির্বাচন পরিচালনার জন্যে নন্দীগ্রাম ১ ব্লক ও নন্দীগ্রাম ২ ব্লকে আলাদা আলাদা দুটো অফিস খোলার পরিকল্পনা নিয়েছেন তৃনমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূল সূত্রে খবর, নন্দীগ্রামে ভোট পরিচালনার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়কে। এছাড়াও নন্দীগ্রামে গিয়ে নির্বাচনের কাজকর্মে সহায়তা করতে বলা হয়েছে রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেনকে।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি সেক সুফিয়ান জানিয়েছেন নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের রেয়াপাড়া ও নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের বটতলায় এই কার্যালয় দুটি খোলা হবে ।জানিয়েছেন এই বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির হার নিশ্চিত।উল্লেখ্য নন্দীগ্রামের দু’টি ব্লকের রাজনৈতিক ও সামাজিক চরিত্র ভিন্ন। নন্দীগ্রাম-১ ব্লক যেমন সংখ্যালঘু অধ্যুষিত, তেমনই আবার নন্দীগ্রাম-২ ব্লকে সংখ্যাগুরুদের প্রাধান্য। তাই পৃথক দু’টি কার্যালয় থেকে পৃথক কৌশল এবং রণনীতি নিয়ে প্রচার-সহ যাবতীয় কাজকর্ম সারবেন নেতা-কর্মীরা। প্রার্থী হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের দুটি প্রান্তে পৃথক পৃথক প্রধান কার্যালয় খোলার প্রসঙ্গে কিছু বলতে রাজী হয়নি স্থানীয় বিজেপি নেতারা।তবে তৃনমূল নেতা আবু তাহের জানিয়েছেন দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের মধ্যে আরো বেশী করে সম্পর্ক স্থাপন করে নির্বাচন লড়ার পরিকল্পনা নিয়েই এই উদ্যোগ।জানিয়েছেন সমস্ত প্রস্তুতি সারা ।রাজ্য নেতৃত্ব ইঙ্গিত দিলেই খোলা হয়ে যাবে অফিস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *