Breaking News

সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদের ক্লাসিক্যাল কনফারেন্স

Post Views: website counter

ইন্দ্রজিৎ আইচ  

“সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদ “এই বাংলা সহ সারা ভারতবর্ষ তথা সারা পৃথিবীতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক উল্লেখযোগ্য নাম। এই প্রতিষ্ঠান ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে, তার পর থেকে বহু বছর ধরে গান, বাজনা, আবৃত্তি, নাটক, শিল্পকলায় বহু ছাত্র ছাত্রী তৈরি করেছে শুধু তাই নয় প্রতি বছর সারা বাংলা ও ভারতবর্ষ এবং বিশ্ব জুড়ে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে থাকেন। গত বছর কোভিড ১৯ এর জন্য তারা কোনো অনুষ্ঠান করতে পারেনি।

সম্প্রতি এই পরিষদ আই সি সি আর হলে আয়োজন করেছিল এক “ক্লাসিক্যাল কনফারেন্স”।
করোনা র জন্য সবরকম সরকারি স্বাস্থ্য বিধি মেনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হোল। অনুষ্ঠান শুরু হয় সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদ এর ছাত্রছাত্রী দের সমবেত সংগীত দিয়ে।এর পর সেতার বাজিয়ে শোনান প্রফেসর ডঃ লাভলি শর্মা, তার সঙ্গে তবলায় সঙ্গত করেন সন্দীপ ব্যানার্জী, শিল্পী লাভলি শর্মা প্রথমে বাজান তিন তাল “পুরিয়া কল্যাণ” এবং এক তাল “মিশ্র শিব রঞ্জনী”। এই দুই শিল্পীর সেতার ও তবলার যুগোল বন্দী সকল শ্রোতার মন ভরিয়ে দেয়।

সব শেষে উচ্যাঙ্গ পরিবেশন করেন জয়িতা চৌধুরী ভট্টাচার্য। তিনি তার সুললিত কণ্ঠে পরিবেশন করেন “খেয়াল”।প্রথম রাগ টি ছিলো জয়জয়ন্তী, দ্বিতীয়রাগ টি ছিলো মধুকোষ এবং শেষ রাগ টি ছিলো ভজন। শিল্পী কে তানপুরা-তবলা-হারমোনিয়াম এ সঙ্গত করেন তায়াসা চ্যাটার্জী, পিনাকী চক্রবর্তী এবং অনির্বান চক্রবর্তী। শিল্পী জয়িতার অনবদ্য পরিবেশনা সকলের নজর কারে। শিল্পীদের হাতে স্বারক ও উত্তরীয় তুলে দেন প্রখ্যাত গৌড়ীয় নৃত্য শিল্পী মুহুয়া মুখোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত হন শিল্পী মিতা নাগ।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন পরিষদের কর্ণধার কাজল সেনগুপ্ত। ব্যবস্থাপনায় ছিলেন শান্তনু সেনগুপ্ত। সঞ্চালনায় ছিলেন
শিল্পী মিতা নাগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *