Breaking News

“রাজা,মন্ত্রী নয় মানুষের দল তৃনমূল”:নাম না করে শুভেন্দুকে খোঁচা ফিরহাদের

Post Views: website counter

 

প্রদীপ কুমার সিংহ

উন্নয়নেই হবে ভোট। এটাই বাংলার মানুষের রায়। সাম্প্রদায়িকতা নয় উন্নয়নের দিকে বাংলার মানুষকে থাকতে হবে। রাজনীতিতে মানুষই শেষ কথা বলবে। মানুষের সেবা করতে চাইলে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে থাকো। দলীয় কর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে এমনই বার্তা দিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

রবিবার দুপুরে বারুইপুর ব্লক তৃনমূল কংগ্রেসের ডাকে এক রাজনৈতিক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই কথা বলেন মন্ত্রী। ছিলেন মন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জী, সাংসদ মিমি চক্রবর্তী, সাংসদ তথা জেলা তৃনমূলের সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী, অধ্যক্ষ বিমান বন্দোপাধ্যায়, সাংসদ প্রতিমা মন্ডল,মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য,সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, বিধায়ক নির্মল মন্ডল,যুব সভাপতি শওকাত মোল্লা,বারুইপুরের প্রশাসক শক্তি রায় চৌধুরী,গৌতম দাস সহ অন্যরা।

এদিন ফিরহাদ হাকিম আরও বলেন, ভোট আসছে যেমন বিজেপির নেতারা আসছে ,তেমন ভোট ভাঙার জন্য হায়দ্রবাদের দল,ভাইজান আসছে।নতুন কিছু এলে সবাই উসখুস করে। এরা নিজেদের পায়ের কুড়ুল নিজেরাই মারবে। ১৪৮ টা বিধায়ক না হলে সরকার গড়া যায় না ওই দলের ১৪৮ প্রার্থী দিতে পারবে না।,বিহারের মত এরা ভোট কেটে নেবে।দাঙ্গা করবে আর ভাইজান ঘরের মধ্যে ঢুকে যাবে।

বিজেপিকে এক হাত নিয়ে তিনি বলেন,বাংলাকে গুজরাট বানাবেন না। দাঙ্গা চাই না।মানুষে মানুষে লড়াই চাই না। চম্বল থেকে নেতার মত ডাকাত এসে ঠিক করবে বাংলার মানুষ কাকে ভোট দেবে। বাংলাকে নিয়ে বিরাট চিন্তা প্রধানমন্ত্রির। কি করে বাংলাকে দখল করা যায়। শুভেন্দুর নাম না নিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন,সাড়ে চার বছর মন্ত্রী থাকলাম। যারা বলছে দলে সন্মান পাচ্ছেন না,আগে বললেন না কেন। আমরা যারা দল করি বিবেকের সাথে করি। বিজেপি কানে কানে বলে দিয়েছে সন্মান নেই।জঙ্গলে একটা শিয়াল হুক্কাহুক্কা করলে সবাই করে। তৃনমূল সাগরের মত বিস্বাদের জায়গা নেই। মন্ত্রী,রাজা করে দিলাম তাদের জন্য তৃনমূল নয়। মানুষের অধিকার স্থাপনের জন্য তৃনমূল। একজন যাবে আর একজন আসবে। মমতা বন্দোপাধ্যায় আছেন,মানুষ আছে। রাজনীতি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল নয়। যে কিছু দেবে তার দিকে যাবো এটা রাজনিতি নয়। হৃদয় দিয়ে রাজনিতি করতে হয়।

মন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জী বলেন, মমতাই শক্তি,কে গেল কে এল বড় কথা নয়। নদীতে অনেক কিছু চলে যায়। বিভ্রান্ত হবেন না। উন্নয়নের লড়াইয়ের নাম মমতা। একতা,উন্নয়ন,শক্তি এই তিন মুল কথা। পাশাপাশি কৈলাস বিজয়বরগির বক্তব্যের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন,পায়ের তলায় মাটি সরে গিয়েছে,মতিভ্রম হয়েছে তাই অভিষেককে আক্রমন করছে। দুয়ারে সরকারে ভিড় দেখে ঘাবড়ে গিয়েছে ওরা।

এদিন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী বলেন, মঞ্চে আসার জন্য কাঠখড় পোহাতে হয়। কিছু লোক দিদির বিরুদ্ধে কথা বললে গায়ে কাঁটা দেয়। দিদি বলে মুখে বলবে না কাজে জবাব দাও। দলিতের বাড়িতে খেয়ে পাবলিসিটি নেওয়া হচ্ছে। আবার দলিত মেয়েকে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। ইডির ভয় দেখানো হচ্ছে এই ভয় বাংলায় চলে না। রাম রহিম দিয়ে ভোট হয় না। বাংলার ভোটকে সুরক্ষিত করতে হবে। তবে আজকের এই জনসভায় বারইপুর নিয়ন্ত্রণে মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়েছে। বিশাল তৃণমূল কর্মী এই জনসভায় যোগ দিয়েছিল। সূত্রে খবর প্রায় ১৪ থেকে ১৫ হাজার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা এই জনসভায় যোগ দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *