Breaking News

“অধিকারী বিহীন” মমতার সভার দিকে তাকিয়ে সারা রাজ্য

Post Views: website counter

 

সোমবার মেদিনীপুরে জনসভা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ২০১১-তে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে অন্তত বার তিরিশেক তিনি এই জেলায় এসেছেন। কখনও জনসভা, কখনও বা প্রশাসনিক বৈঠক করতে। কিন্তু এদিনের সভা রাজনৈতিক দিক থেকে আলাদা মাত্রা পেয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চ থেকে কী বার্তা দেন, তার দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।

একই সাথে অধিকারীদের অবস্থান নিয়ে জল্পনা আরো বেড়েছে।শিশির-শুভেন্দু-দিব্যেন্দুরা এই সভায় হাজির থাকে কিনা সেই দিকে তাকিয়ে সারা রাজ্য।

শিশির  অধিকারীর পায়ে অস্ত্রোপচার হয়েছে। তাই তিনি মমতার সভায় যাবেন না। রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত খবর, অধিকারী পরিবারের আর এক সাংসদ দিব্যেন্দুও মমতার সভায় থাকছেন না বলেই তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর। সোমবার তাঁর দিল্লি যাওয়ার কথা। আর যাঁকে ঘিরে গত কয়েক মাস ধরে প্রায় প্রতি দিন নতুন নতুন জল্পনা তৈরি হচ্ছে, সেই শুভেন্দু?

নন্দীগ্রামের বিধায়কের ঘনিষ্ঠ মহল সুত্রে খবর, সোমবার তাঁর থাকার কথা কলকাতায়। সূতরাং শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদল না হলে মমতার সভায় অধিকারী বাড়ির কারও থাকার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

উল্লেখ্য  শুভেন্দু অধিকারী মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সভা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজ্য রাজনৈতিক মহল। তবে একটা বিষয় নজরে পড়েছে সবারই। এর আগে প্রতিটি সভায় মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর কাটআউট, ব্যানার দেখা গেলেও এবার তা নেই।

সভাকে সফল করতে গত ৭দিন ধরে গ্রাম থেকে শহর, পাড়ার অলিগলিতে প্রচার করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ২০১৮ সালের অগস্ট মাসে এখানে সভা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তারপর ফের আবার আড়াই বছর বাদে।

মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতির দাবি, ‘নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় ২ লক্ষ মানুষ উপস্থিত হবেন। দিদির সঙ্গেই মেদিনীপুর। সোমবার আরেকবার মেদিনীপুরের মানুষ তা প্রমাণ করে দেবেন।’

তৃণমূল সূত্রে খবর, দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার সব বিধায়ক-সাংসদকে মেদিনীপুরের সভায় যেতে বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। পূর্ব মেদিনীপুরে তমলুক ও কাঁথি দুই কেন্দ্রেরই সাংসদ অধিকারী পরিবারের— শিশির এবং দিব্যেন্দু। জেলায় দলের বিধায়ক সংখ্যা ছিল ১২। তার মধ্যে এগরার বিধায়ক সমরেশ দাস প্রয়াত হয়েছেন। শুভেন্দু নিজেও বিধায়ক। বাকি ১০ জন বিধায়কের সবাই মমতার সভায় শেষ পর্যন্ত থাকেন কিনা, সে দিকে নজর থাকবে। শিশির আবার দলের পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা সভাপতিও।

দলনেত্রী তিন জেলার সভাপতিকেই সভায় থাকার কথা বলেছেন। সেই কারণে পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা সভাপতি শিশিরকে ফোন করেছিলেন। কিন্তু শিশির শারীরিক অসুস্থতার জন্য সভায় থাকতে পারবেন না বলে তাঁকে জানিয়ে দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *