Breaking News

সমুদ্র পাড়ে মদের ঠেক!পুলিশের অভিযানে পাততাড়ি গোছালো অসাধু ব্যবসায়ীর দল

Post Views: website counter

 

মদ্যপ অবস্থায় সমুদ্র স্নানে নেমে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে পর্যটকেরা।তাই নিরাপত্তার কারনে নেশাগ্রস্থদের সমুদ্র স্নানের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসন।প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে বেশীর ভাগ পর্যটক স্বাগত জানালেও নেশাগ্রস্থরা হতাশ।এর সুযোগ নিয়ে নেশাগ্রস্থ পর্যটকদের থেকে বাড়তি উপার্জনের লোভে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী সমুদ্র পাড়ে অবৈধ ভাবে মাদক বিক্রী শুরু করেছিলো।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার উদয়পুর সমুদ্র সৈকতে দীর্ঘ দিন ধরে বেআইনী ভাবে চলা সেই মদ্যপানের আসর সহ শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করলো দিঘা উন্নয়ন পর্যদ ও দিঘা পুলিশ প্রশাসন। বুধবার যৌথ ভাবে এই অভিযান চালানো হয় ।প্রসঙ্গত উল্লেখ যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এই উদয়পুর সৈকত বাংলা ও উড়িষ্যা রাজ্যের সীমান্তবর্তী।ফলে কোন এলাকা কোন রাজ্যের নিয়ন্ত্রনাধীন সেই নিয়ে একটু বিবাদ আছে ।

আর এই ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে একদল অসাধু ব্যবসায়ী প্রশাসনের নজর এড়িয়ে এবং নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দিনের পর দিন ধরে উদয়পুর সৈকতে সমুদ্রের ধারে অস্থায়ী পাল্লার ভেতরে মদ,গাঁজা, হুকো সহ নানান ধরনের নেশা দ্রব্য বেচা কেনা চলছিল। কয়েক দিন আগে উড়িষ্যা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে উদয়পুরে সেই রাজ্যের ভেতরে থাকা অংশ বরাবর জায়গায় অবৈধ ভাবে চলা মাদক দ্রব্য কেনা বেচা বন্ধ করে দেওয়া হয় ।

এর পরেই সেই ব্যবসায়ীরা উদয়পুরের বাংলার অংশে ভীড় করে। জাঁকিয়ে চলছিল এই ব্যবসা।এবার এই রাজ্যের পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেওয়ায় কোন রকমে পাততাড়ি গুটিয়ে পালিয়ে যায় এই অবৈধ মাদক ব্যাবসায়ীর।প্রসঙ্গত বিগত কয়েক বছর সমুদ্র সৈকতে বসে মদ্যপান করে সমুদ্র স্নানে নেমে বারবার দূর্ঘটনার কবলে পড়ছিলেন পর্যটকরা। কয়েক জনের অকালে প্রায় যায়।এর পরেই পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে নেশাগ্রস্থদের সমুদ্র স্নানে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন।

ফলে আগে থেকে নেশা করে সমুদ্র স্নানের মজা থেকে বঞ্চিত হয় মদ্যপ পর্যটকের দল ।এর সুযোগ নিয়ে বাড়তি উপার্জনের নেশায় কয়েক জন অসাধু ব্যাবসায়ী একেবারে সমুদ্রের ধারে অস্থায়ী দোকান করে সেখান থেকে মাদক বিক্রী করতে শুরু করে ।ফলে স্নান করতে নামার একেবারে আগের মুহুর্তে কিংবা স্নান করার ফাঁকে নেশা করার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে পর্যটকেরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *