Breaking News

পুজার মধ্যে প্রাক্তন অধ্যাপকের অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করলো সাইবার অপরাধীরা !

Post Views: website counter

করোনা আবহে কেউ আছেন আতংকে,আবার কেউ পুজোর মধ্যে একটু আনন্দের তল্লাসে।আর অপরাধীরা ব্যাস্ত ছিলো পরিচিত-অপরিচিত মানুষদের জীবনে দুর্দশা বয়ে আনার কাজে।তেমননি এক চাঞ্চল্যকর ঘটনাটির স্বাক্ষী থাকলো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তাম্রলিপ্ত পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের শালগেছিয়া এলাকা । এই এলাকার বাসিন্দা প্রাক্তন অধ্যাপকের বিপদতারণ দাস ।

পুজোর মধ্যেই সাইবার প্রতারণা চক্রের খপ্পরে পড়ে জোড়া ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ৮ লক্ষ টাকা খোয়া গেল এক অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপকের ।

তমলুক থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে স্টেট ব্যাঙ্কের তমলুক রেলওয়ে স্টেশন শাখায় বিপদতারণ বাবুর পেনশন অ্যাকাউন্ট আছে। এছাড়াও তমলুকের আবাসবাড়ি স্টেট ব্যাংকের শাখায় স্ত্রীর সঙ্গে একটি জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে এই প্রাক্তন অধ্যাপকের ।

প্রতারিত অধ্যাপকের সূত্রে জানা গেছে গত ২৪ অক্টোবর বিকেলে পৌনে পাঁচটা নাগাদ প্রথমে তার কাছে পরে স্ত্রীর কাছে দুটো পৃথক নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে সুদীপ গুপ্ত নামে এক ব্যক্তি নিজেকে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার দিয়ে জানায় সুরক্ষার প্রয়োজন এ তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য দিতে হবে। অধ্যাপক জানিয়েছেন প্রতারিত হতে পারেন সেই আশঙ্কায় তিনি সেই ব্যক্তির সাথে কথা বলেন নি।

এর পরে তার স্ত্রীর সাথে ফোনে কথা বলে পেনশন অ্যাকাউন্টের সমস্ত তথ্য হাতিয়ে নেয় ওই প্রতারক ।অভিযোগ এর পরেই দফায় দফায় সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ৪ লক্ষ ১২ হাজার টাকা তুলে নেয় প্রতারক ।প্রতারিত প্রাক্তন অধ্যাপকের অভিযোগ ঘটনাটা নজরে আসার পরেই এটিএম এবং ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং পরিষেবা লক করার পরেও কোন সুরাহা হয়নি। অভিযোগ ২৫ তারিখ দুপুর পর্যন্ত এই অ্যাকাউন্ট সাফাই চালিয়ে যায় সাইবার প্রতারকদের ।

বিপদতারণ বাবু জানিয়েছেন জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট এর কোন তথ্য না দেওয়া সত্ত্বেও ২৪ তারিখ বিকেলের পর থেকে দফায় দফায় সোমবার অবধি তিন লক্ষ চুরাশি হাজার টাকা তুলে নেয় সাইবার প্রতারকেরা। এর পরেই মঙ্গলবার তমলুকে সাইবার থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন বিপদতারণ দাস ।

পুজোর মধ্যে এভাবে এক প্রবীন মানুষের এতগুলো টাকা খোয়া যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *