Breaking News

প্রশাসনের সঙ্গে বাজি কারখানার মালিকদের বৈঠক

Post Views: website counter

 

প্রদীপ কুমার সিংহ

বারুইপুর থানা অন্তর্গত চামপাটি হাড়ালে বাজির কারখানায় বিস্ফোরণ হওয়ার পরের দিনই বারুইপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বারুইপুর থানার উদ্যোগে বাজি ব্যবসায়ী মালিকদের নিয়ে বারুইপুর পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডে সোনারতরীতে একটা বৈঠক হয়।

এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( জোনাল) ইন্দ্রজিৎ বসু, বারুইপুরে এসডিপিও অভিষেক মজুমদার, বারুইপুর থানার আধিকারিক দেব কুমার রায়, বারুইপুর পৌরসভার প্রসাশক গৌতম দাস, বারুইপুর জেলা পরিষদের উপাদক্ষ জয়ন্ত ভদ্র, দমকল বিভাগের আধিকারিক বারুইপুর ফুলতলা পঞ্চায়েতের সহ-সভাপতি শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী ও প্রায় ১৫০ জনের মতো বাজি কারখানা মালিকদের নিয়ে এই বৈঠক হয়।

এই বৈঠকেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ বসু জানান বাজি কারখানা গুলো সবার সরকারি অনুমোদন নেই সেটা যাতে করে প্রত্যেক বাজি কারখানা মালিক। বাজি কারখানার মালিকদের তিনি সতর্ক করে দেন নিজের বাড়ির মধ্যে কোন বাজি তৈরি হবে না। বাজি তৈরি করতে গেলে আলাদা ঘরে থাকতে হবে এবং সেখানে কোন মানুষ রাত্রি যাপন করতে পারবেন না। যেকোনো সময় বারুদে আগুন লেগে পুরো বশীভূত হয়ে যেতে পারে। তখন পরিবারের কেউ যদি থাকে সেও বেঁচে থাকবে না। নিজেরা যে অর্থ উপার্জন করছে সেই অর্থ যদি পরিবারের কাজে না আসে তাহলে অর্থ উপার্জন করে কি লাভ।

তিনি বলেন বাজি জন্য একটা বাজির হাব তৈরি হবে।এর জন্যে বারুইপুরে মধ্যেই জায়গা পাওয়া যায় কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি আর একটা প্রস্তাব দেয় বাড়ির মালিকদের কালীপুজোর আগে বারুইপুরের একটা যেকোনো জায়গায় বাজি মেলা হবে প্রত্যেক মালিক যাতে রাজি থাকে।

বাজি অ্যাসোসিয়েশনের এক সদস্য বলেন বাজি যেকোনো সময় বিস্ফোরন হতে পারে একটু বৃষ্টির জলে ভিজলে বা আগুন লাগলে বিস্ফোরণ হয়। বাজি তৈরি করতে গেলে অনেক সময় তাদের শ্রমিকরা মারা যায় তাদেরকে যদি সরকার সাহায্য করে অর্থ দিয়ে।

বারুইপুর থানার আধিকারিক দেব কুমার রায় বলেন সিজিন টাইমে হারালে যাওয়ার মেন রাস্তা ট্রাফিক কন্ট্রোল করা মুশকিল হয়ে যায় যদি অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে কিছু ছেলে ভলেন্টিয়ার এর জন্য দেয়।
বারুইপুর পৌরসভার প্রশাসক গৌতম দাস বলেন আমরা বাজি কারখানা মালিকদের পাশে আছি যদি সিজনের সময় বাড়ি পুড়ে একটা জায়গা ঠিক করে বাজি মেলা তৈরি করা যায় তাহলে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবে ওকে তারা উপকৃত হবে।

জেলা পরিষদে উপাদক্ষ জয়ন্ত ভদ্র বলেন আমরা সব সময় পাজি কারখানার মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে আছি কিন্তু তাদের কর্তব্য আছে সরকার যে নিষিদ্ধ বাজি তৈরি করতে বারন করেছে সেই গুলো যেন মেনে বাজি তৈরি করা হয়।

দমকল বিভাগের আধিকারিক বলেন বাজি তৈরি করার জন্য যে লাইসেন্স দরকার সেটা তাদের ডিপার্টমেন্ট থেকে করা হয় যেন। যেখানে বাজি তৈরি করছে সেখানে বড় রাস্তা থাকে যেন ফায়ার বিগেটে গাড়ি ঢুকতে পারি জন্যে।

তবে আজকের বৈঠকে কোন পক্ষই সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি কালীপুজোর আগে আরও একবার বৈঠক হবে বলে জানিয়েছে বারুইপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ বসু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *