Breaking News

লকডাউন ভেঙে চা খেতে বেরিয়ে পুলিশের তাড়া: লাফিয়ে নয়নজলিতে যুবক

Post Views: website counter

চা আর বাঙ্গালী! সে এক দীর্ঘ ইতিহাস।

বিশেষ করে পাড়ার মোড় মোড়ে কোন না কোন দাদা কিংবা বৌদির দোকানে বন্ধুদের সাথে বসে আড্ডার আনন্দ নিতে নিতে মোদি থেকে মমতা মায় ডোনাল্ড ট্রাম,কিনবা অমিতাভ-রাজেশ খান্না-শাহরুখ কিংবা সুশান্ত সিং রাজপুত,অথবা মাধুরি-বিপাশা-শতাব্দীরা ঘুরে ফিরে আসেনা ভাবাই যায়না।শচীন-সৌরভ থেকে মারাদোনা আরো কত নাম কিংবা বিষয় নিয়ে চায়ের আড্ডায় পক্ষে বিপক্ষে ঝড় তুলেননি এমন বাঙ্গালী পুরুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।আর সেই দীর্ঘ ইতিহাস-স্মৃতীতে কোথাকার কে করোনা ভাইরাস (উৎপত্তি স্থল চীন) ভাগ বয়াবে মেনে নেওয়া যায় ?

স্বাভাবিক ভাবেই প্রতিবাদ হচ্ছে!

যেমন “আমরা কি চা খাব না ,খাব না আমরা চা ?”
করোনা আবহের মধ্যে জনতা কার্ফু র দিন
চা খেতে বেরিয়ে ভয়ঙ্কর ট্রোল হয়েছিলেন কলকাতার শ্রী কলোনির মৃদুল দেব। তারপর কেটে গেছে অনেক গুলো মাস। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। উপরন্তু, আজ রাজ্যজুড়ে চলছে সম্পূর্ণ লক ডাউন।
এর মধ্যেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল বুধবার
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমার বাজার এলাকায়।

এমনিতেই “চায়ের নেশা বড়ো নেশা” বাঙালীদের কাছে।তার উপর লকডাউন ভেঙে চা খেতে যাওয়া বোধহয় আলাদা অনুভুতি।

সত্য হোক বা মিথ্যা এওম্ন চা খাওয়ার অভূতপূর্ব ঘটনার স্বাক্ষী থাকলো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমার থানার ৪১ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে থাকা একটি চায়ের দোকান লকডাউন কে অমান্য করে খোলা ছিল এক চায়ের দোকান,পাশের এলাকা থেকে এক ব্যক্তি অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর অবশেষে ৪১ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে চায়ের দোকান দেখতে পায়, মনের আনন্দে চায়ের চুমুক পরতেই তাড়া পুলিশের,সাথেসাথে প্রাণে বাঁচার জন্য ঝাঁপ নয়ানজুলিতে,আর এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতে ভাইরাল হয়ে পড়ে এই ভিডিও।

প্রসঙ্গত মহামারী ভাইরাস থেকে রাজ্যবাসীকে রক্ষা করার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে সপ্তাহে দুদিন ডাকা হয়েছিল লকডাউন,আর তৃতীয় দিনের লকডাউনে কার্যত তৎপর ছিল পুলিশ প্রশাসন, লাঠি উঁচিয়ে ছিল টহলদারি, অকারণে বাড়ির বাড়ির বাইরে বেরোলে পেতে হচ্ছে আইনি ব্যবস্থা, সেই পুলিশের ভয়ে নয়ানজুলিতে ঝাঁপ এই চা প্রেমিকের, এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে  রীতিমত ভাইরাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *